শ্রেয়স, শামিদের বাদ দিয়ে দল! ইংল্যান্ডের সামনে মুখ থুবড়ে পড়লো ভারত !

জিথিন, আজারেই ও আলবিয়াখ (নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি – ২০২৪-২৫)মোট গোল অবদান: ৪৪জিথিন এমএস – ২ গোল | ৫ অ্যাসিস্টআলাদিন আজারেই – ২৩ গোল | ৭ অ্যাসিস্টনেস্টর আলবিয়াখ – ৬ গোল | ১ অ্যাসিস্টডুরান্ড কাপ জিতে আত্মবিশ্বাস নিয়েই মরশুম শুরু করেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি। সেই গতি ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাদের আক্রমণ বিভাগের ত্রয়ী — জিথিন এমএস, আলাদিন আজারেই এবং নেস্টর আলবিয়াখ।

এই ত্রয়ী একসঙ্গে তৈরি করেন আইএসএলের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর আক্রমণ বিভাগ, যেখানে ছিল গতি, কৌশল এবং নিখুঁত ফিনিশিং-এর দুর্দান্ত মিশেল। জ্যাকিচাঁদ সিং – ৪ গোল |৪ অ্যাসিস্টলোবেরার দ্বিতীয় মরশুমে এই এফসি গোয়া ত্রয়ী স্টাইল ও কার্যকারিতার নিখুঁত মিশ্রণ উপহার দেয়। কোরো ছিলেন আক্রমণের মূলকেন্দ্র, তার আগের মরশুমের মতো সেবারও গোল্ডেন বুট জিতে নেন ১৬ গোল করে, সঙ্গে আরও ৭টি অ্যাসিস্টও যোগ করেন।

বুমৌস, কোরো ও জ্যাকিচাঁদ (এফসি গোয়া – ২০১৯-২০)মোট গোল অবদান: ৪৬হুগো বুমৌস – ১১ গোল | ৯ অ্যাসিস্টফেরান কোরোমিনাস (কোরো) – ১৪ গোল | ৪ অ্যাসিস্টজ্যাকিচাঁদ সিং – ৫ গোল | ৩ অ্যাসিস্টসে মরশুমেও সের্খিও লোবেরার প্রশিক্ষণে এফসি গোয়ার আক্রমণাত্মক ফুটবল অভিযান অব্যহত ছিল। ২০১৯–২০ মরশুম ছিল আধিপত্যের।

সে মরশুমের কেন্দ্রে ছিল এক কার্যকরী ও বিপজ্জনক ত্রয়ী — হুগো বুমৌস, কোরো ও জ্যাকিচাঁদ সিং। বুমৌস ছিলেন মাঝমাঠের মাস্টারমাইন্ড, যিনি খেলার ছন্দ তৈরি করতেন। কোরো স্বভাবসিদ্ধ নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করে যেতেন আর জ্যাকিচাঁদ উইং থেকে গতি ও ক্ষিপ্রগতির দৌড় দিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে বিপদে ফেলতেন।

এই ত্রয়ীর আক্রমণভাগ ছিল মসৃণ, দ্রুত ও ধ্বংসাত্মক।আইএসএলে এমন অনেক মরশুম রয়েছে, যেখানে আক্রমণ বিভাগের তিনজন খেলোয়াড় একসঙ্গে দুরন্ত ছন্দে থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে তছনছ করে দিয়েছেন।গ্রেগ স্টুয়ার্ট – ৮ গোল | ৮ অ্যাসিস্টজর্জ পেরেইরা দিয়াজ – ১১ গোল | ৭ অ্যাসিস্টলালিয়ানজুয়ালা ছাঙতে – ১০ গোল | ৬ অ্যাসিস্ট২০২২–২৩ মরশুমে ডেস বাকিংহ্যামের প্রশিক্ষণে মুম্বই সিটি এফসির আক্রমণের তীব্রতা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যা ভারতীয় ফুটবলে খুব কমই দেখা যায়।

সেই দুর্দান্ত সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিলেন আক্রমণ বিভাগের তিন খেলোয়াড় — গ্রেগ স্টুয়ার্ট, জর্জ পেরেইরা দিয়াজ এবং লালিয়ানজুয়ালা ছাঙতে। এই ত্রয়ী একসঙ্গে দলের ৫০টি গোলে অবদান (গোল + অ্যাসিস্ট) রেখেছিলেন, যা আইএসএল ইতিহাসে এক মরশুমে কোনও ত্রয়ীর সর্বোচ্চ। সে বার লিগ পর্বে মোট ৫৪টি গোল করে নতুন নজির গড়ে দ্বিতীয়বারের মতো আইএসএল শিল্ড জেতে মুম্বই